এখন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে সুশান্ত কুমার রায়ের চিরঞ্জীব বনৌষধি বইটি

0
236
এখন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে সুশান্ত কুমার রায়ের চিরঞ্জীব বনৌষধি বইটি

প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ সুস্থ থাকার জন্য বহু ধরনের ভেষজ চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করে আসছে। এ ধরনের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় অসংখ্য গাছগাছড়া ও ফলমূল। আমাদের দেশেও অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানের উপর ভিত্তি করে, বিভিন্ন রোগের ওষুধ হিসেবে উদ্ভিদের ব্যবহার অনেক আগে থেকেই হয়ে আসছে। মানুষ তাঁর জন্মলগ্ন থেকেই উদ্ভিদকে নিজের প্রয়োজনে নানা আকারে ব্যবহার করতে শিখেছে। জীবের মঙ্গলার্থেÑ বিশেষ করে, রোগ যন্ত্রণার উপশমের জন্য সুদীর্ঘ প্রাচীনকাল হতে বনৌষধি ব্যবহৃত হয়ে আসছে।আমাদের চারপাশের এসব গাছপালা, ফলমূল নিয়ে ভেষজ চিকিৎসা এখনও অনেক জনপ্রিয়।

মানুষের আস্থার মূলে জানা আছে এসব ভেষজ উদ্ভিদজাত ফলের নানাবিধ গুণাবলীর কথা। ১০০০-৮০০ খ্রিস্টপূর্বে লিখিত চরক-সংহিতা ও সুশ্রুত-সংহিতায় প্রায় ৭০০ ভেষজ গাছগাছড়ার উল্লেখ পাওয়া যায়। প্রাক বৌদ্ধযুগের বা তৎপরবর্তী কালের আয়ুর্বেদতন্ত্রে ও সংহিতাগ্রন্থে নানাপ্রকার বনৌষধির উল্লেখ আছে। এসব উদ্ভিদজাত গাছ ও ফল নিয়ে সুশান্ত কুমার রায় লিখেছেন চিরঞ্জীব বনৌষধি । বইটির বিষয়বস্তু নিয়ে ইতোপূর্বে তার লেখাগুলো জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্রের মাধ্যমে পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। মলাটবদ্ধ করে লেখাগুলো পাঠকের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য এ প্রয়াস। আশা করি আগ্রহী সাধারণ পাঠক ছাড়াও শিক্ষার্থীদের কাছে গ্রন্থটি ব্যাপক সমাদৃত হবে। জানা যাবে কোন ফলের কি ধরনের ওষুধি গুণাবলী রয়েছে। পাঠক নিরাশ হবেন না, এ কথা নির্দ্বিধায় বলা যায়।

আনোয়ার কামাল
কবি, গল্পকার, প্রাবন্ধিক ও সাহিত্য আলোচক
সম্পাদক- এবং মানুষ (সাহিত্য বিষয়ক ছোটকাগজ)

অনলাইন পরিবেশক
www.rokomari.com
অথবা

মিঠুল মাসুদ
মোবাইল ও বিকাশ- 01708121648
ঠিকানা: হাউজ 588, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা- 1208